হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট পেশায় দালালের সাহায্য ছাড়া যেভাবে চাকুরি নিয়ে বিদেশে যেতে পারেন

Guideline to get hospitality management jobs in abroad without any help of agency.

কিভাবে আপনি কোন এজেন্সি বা দালালের সাহায্য ছাড়া দেশের বাইরের কোন ফাইভ স্টার হোটেলে চাকুরি নিয়ে যেতে পারবেন, আজকে আমি এ ব্যাপারে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব। 

এ পেশায় কেন বিদেশে যাবেন?

আমাদের দেশে আপনি হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের যে সেক্টরেই কাজ করেন না কেন , হতে পারে ফ্রন্ট অফিস, সার্ভিস, কিচেন, কোল্ড কিচেন, বেকারি বা হাউজ কিপিং, আপনার যদি দেশের বাইরের কোন ফাইভ স্টার হোটেলে কিছু বছরের কাজের অভিজ্ঞতা না থাকে, আমাদের দেশে এই পেশায় ভালো পজিশনে যাওয়া এবং ভালো একটা স্যালারি পাওয়া প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার। এটাই আপনার বিদেশে কাজ করতে যাওয়ার প্রথম কারণ হিসাবে মনে গেঁধে নিন। 


আপনি হয়ত এখন হোটেল ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করছেন, বা ভবিষ্যতে এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা, সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, প্রথম থেকেই আপনার যেন একটা মাইন্ড সেট থাকে যে, আপনি কোর্স কমপ্লিট করে, যতদ্রুত সম্ভব দেশের বাইরে চাকুরি নিয়ে চলে যাবেন। 


কয়েক বছর দেশের বাইরের এক বা একাধিক ফাইভ স্টার হোটেলে চাকুরি করার পরে, চাইলে আপনি দেশে ফিরে এখানকার কোন ফাইভ স্টারে জয়েন করতে পারেন।
দেশের যে হোটেল আপনাকে আগে পনের বা বিশ হাজার টাকা স্যালারি দিত বা আরো কম দিত, তারাই আপনাকে তখন এর কয়েক গুণ বেশি বেতনে হায়ার করবে।

কি কি যোগ্যতা লাগবে?

১। হোটেল ম্যানেজমেন্টের উপরে আপনার কমপক্ষে এক বছর বা দুই বছর মেয়াদের কোন কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। যদি হোটেল ম্যানেজমেন্টে আপনার অনার্স করা থাকে, সেটা আরো ভালো। সেক্ষেত্রে অনার্সের পরে বা অনার্সের শেষের দিকে NHTTI থেকে এক বা একাধিক বিষয়ে শর্টকোর্স করে নিবেন।

যদি আপনার শুধুমাত্র শর্টকোর্স করা থাকে, সেক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা আরো বেশি লাগবে।


২। ইংরেজিতে আপনার যথেষ্ট ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। যদিও এক বছর আগে করা ভিডিওতে আমি বলেছি, ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলেও হবে। বর্তমান অবস্থায় আপনাকে ইংরেজিতে কম্যুনিকেশন স্কিল খুব ভালো হতে হবে। কিচেন, হাউজ কিপিং, বেকারির ক্ষেত্রে আপনার ইংরেজির দক্ষতা অ্যাভারেজ হলেও চলবে।

কিন্তু আপনি যদি সার্ভিস, ফ্রন্ট অফিস বা ম্যানেজমেন্টাল পজিশনে দেশের বাইরের কোন হোটেলে জব করতে চান, তাহলে আপনার কমপক্ষে IELTS 7.0 মানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এবং এই সকল পোস্টে আবেদনের সময়ে আপনি IELTS Certificate দিতে পারলে, আপনার জবের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। 


৩। NHTTI বা অন্য যেকোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স শেষের পরে, আপনাকে ভালো কোন হোটেলে, বিশেষ করে ফাইভ স্টার হোটেলে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

অ্যাটাচমেন্টকেও কাজের অভিজ্ঞতা হিসাবে দেখানো সম্ভব যদি সেটা ফাইভ স্টার হোটেল থেকে হয়ে থাকে। সাধারণত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চেয়ে থাকে, তবে অনেকেই ছয় মাসের অ্যাটাচমেন্টের অভিজ্ঞতা থেকেও অফার লেটার পেয়ে যায়, যেমনটা আমি পেয়েছিলাম।

দেখানোর উদ্দেশ্য এটাই যে, এটা যে সম্ভব, নতুনেরা যেন বুঝতে পারেন। আপনি কোন ম্যান পাওয়ার এজেন্সি বা দালালের সাহায্যে যখন মিডল ইস্টের কোন দেশে জব ভিসায় যাবেন, আপনার খরচ হতে পারে দুই থেকে সাত লক্ষ টাকা। তাও যেতে পারবেন কিনা, বা যে পজিশনে যাওয়ার কথা, সে পজিশনে আপনাকে আসলেই দিবে কিনা, বেতন ঠিকঠাক দিবে কিনা ইত্যাদি নানান অনিশ্চয়তা থাকে।

অন্যদিকে আপনি যখন নিজে অনলাইনে আবেদন করে যাবেন, আল্লাহ সহায় থাকলে সবকিছু আপনার গ্রিপে থাকবে। খরচ বলতে শুধু মাত্র বিমান ভাড়া, মেডিকেল আর BMET থেকে একটা স্মার্ট কার্ড লাগবে, তাও কিছু ক্ষেত্রে বিমান ভাড়া কোম্পানি বহন করবে। 

৪। আপনার বেসিক আইটি স্কিল লাগবে। যেমনঃ

  • মাইক্রোসফট অফিস বেসিক (ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট)
  • কিভাবে নিজের সিভি নিজে বানাতে হয়
  • কিভাবে জব সাইট গুলিতে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে সব তথ্য দিতে হয়
  • কিভাবে অনলাইনে ইন্টারভিউ দিতে হয় স্কাইপ বা জুম মিটিং এ
  • অনলাইন রিসার্চ এবং গুগল ইউজের দক্ষতা 

৫। হোটেলের যে জবের জন্য আপনি আবেদন করছেন, সে বিষয়ে টেকনিক্যাল স্কিল অবশ্যই আপনার থাকতে হবে, দরকার হবে থিউরিটিক্যাল নলেজও। 
৬। অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা কমপক্ষে এইচ, এস, সি, হওয়াটা দরকার। 

কিভাবে আবেদন করবেন?

এক বছর বা দুই বছর মেয়াদের কোন কোর্স কমপ্লিট করার পরে, এক থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আপনি দেশের বাইরে জবের জন্য আবেদন করবেন। এক্ষেত্রে আপনি যত দ্রুত আবেদন করবেন, তত ভালো। কারণ তারা সাধারণত আপনাকে এন্ট্রি লেভেলের পজিশন থেকে শুরু করাবে, দেশে আপনার পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও।


যেমন আমি ছয় মাসের অ্যাটাচমেন্ট শেষ করে  Commis – 3 পোস্টে অফার পেয়েছিলাম। অনেকে দেশে ৪/৫ বছর চাকুরি করার পরেও একই পোস্টে অফার পেয়েছিল আমি দেখেছি। 
যে সকল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি জব ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলঃ 

  • https://www.catererglobal.com/
  • https://www.bayt.com/
  • https://www.hcareers.com/
  • https://jobs.marriott.com
  • https://www.caterer.com/

How to get Hospitality Management jobs in abroad

এর বাইরেও কিন্তু আরো অনেক ওয়েব সাইট আছে। যেমনঃ সংশ্লিষ্ট হোটেল গুলির ওয়েব সাইট, Hotel Radisssion এর নিজস্ব জব সাইট আছে, দেশের বাইরের কোন রেডিসন হোটেলে জবের আবেদন করতে হলে আপনি তাদের সাইটে আবেদন করবেন।


উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইট গুলির মাঝে https://www.catererglobal.com/ ওয়েবসাইটটি আমার কাছে খুব কার্যকরী মনে হয়। আর এই সাইটে আবেদন করে পরীক্ষা দিতে পারলে, আপনি বাকি সাইট গুলিতেও পারবেন। 

  • আপনাকে প্রথমে জব সাইটে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে।
  • অ্যাকাউন্টে সকল তথ্য, সার্টিফিকেট, এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট, আইডি, ছবি ইত্যাদি আপলোড করতে হবে।
  • অ্যাকাউন্টে পিডিএফ ফরম্যাটে সিভি এবং কভার লেটার আপলোড করতে হবে।
  • প্রতিটি আবেদনের সাথে কাস্টম মেইড কভার লেটার ইউজ করার চেষ্টা করবেন যদি অপশন থাকে।
  • নিজের স্কিল গুলি সংক্ষিপ্ত আকারে সিভিতে উল্লেখ করবেন। মাথায় রাখবেন, প্রাথমিক স্টেজে  ৩ বা ৪ পৃষ্ঠার সিভি পড়ার মত সময় কারো নাই। 
  • এরপর আপনি যে পোস্টে আবেদন করতে চান, সে পোস্টে আবেদন শুরু করবেন।
  • যতদিন না হবে, আবেদন করে যাবেন।

পরীক্ষার পদ্ধতি আমি আমার ভিডিও গুলিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তবে এটা প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকে। আশার কথা এই যে, NHTTI এ, এক বা দুই বছরের ডিপ্লোমাতে যে সকল বিষয় পড়ানো হয়, বেশিরভাগ বা সকল প্রশ্ন সেখান থেকেই আপনাকে করা হবে, বিভিন্ন ভাবে।
যেমনঃ আমি যেহেতু প্রডাকশনে Commis – 2 / 3 পোস্টে আবেদন করতাম, তাই বেশির ভাগ অনলাইন এক্সামে আমার প্রশ্ন গুলি প্রডাকশন সংক্রান্ত হত।


বেশির ভাগ প্রশ্ন মাল্টিপল চয়েস বা ফিল ইন দ্য গ্যাপস টাইপের হয়ে থাকে রিয়েল টাইমে। 
সাধারণত অনলাইন এক্সাম পার করতে পারলে স্কাইপ বা টেলিফোনিক ইন্টারভিউ হয়, দুই বা তিন ধাপে। একজন Sous Chef  সাধারণত টেকনিক্যাল ইন্টারভিউ নিয়ে থাকেন, কিছু ক্ষেত্রে Executive Chef ও নেন এই স্কাইপ ইন্টারভিউ, আমি অবশ্যই এখানে প্রডাকশনের কথা বলছি।

 
ইন্টার অ্যাকটিভ অনলাইন ইন্টারভিউ এবং পরে স্কাইপ ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে তারা বের করে ফেলেন, আপনার ফাউন্ডেশন অফ কুকিং সেন্স কেমন, আপনার নাইফ স্কিল কেমন, আপনি কিচেন ইউটেনসিলস গুলি চেনেন কিনা, আপনার অবজারভেশন পাওয়ার কেমন, আপনি কমিউনিকেট করতে পারবেন কিনা কর্মক্ষেত্রে, ইত্যাদি। 


একদম শেষ ইন্টারভিউটা হয় HR Department এর সাথে, এন্ট্রি লেভেলের পজিশনে Salary Negotiation এর সুযোগ থাকে না বললেই চলে, তাদের স্যালারি স্ট্রাকচার অনুযায়ী আপনাকে শুরু করতে হবে।  


কিছু হোটেলে অনলাইন ইন্টার অ্যাকটিভ এক্সাম না নিয়ে সরাসরি স্কাইপ ইন্টারভিউ নেয়, যদি প্রাথমিক ভাবে আপনার সিভি তাদের ভালো লাগে। 


এই সাইটগুলিতে, আমি কোর্সের পরে অ্যাটাচমেন্ট করা কালেই ঘাঁটাঘাটি শুরু করেছিলাম, এবং ওয়েবসাইট গুলির সাথে আমার ভালো করে পরিচিত হতে মাস দুই বা তিন লেগেছিল।
হোটেল ম্যানেজমেন্টের যে কোন ডিপার্টমেন্টেই আপনি আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে এই ওয়েবসাইট গুলির মাধ্যমে। 


সবকিছু ঠিকঠাক হলে আপনি Letter of Employment এবং Job Description পেয়ে যাবেন। এরপর তারাই আপনাকে প্রসিডিউর বলে দিবে, আপনি নিজেও বুঝবেন। 
আরেকটা কথা না বললেই না, আপনাকে কিন্তু আপনার Linkedin প্রফাইল আপডেট রাখতে হবে। লিংকডিন এর মাধ্যমেও দেশের বাইরের জবে আবেদন করা যাচ্ছে এখন। 

কোন কোন দেশে আবেদন করতে পারবেন? 

বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে যাওয়া যায়, এমন সকল দেশেই আপনি জবের আবেদন করতে পারবেন। তবে আপনাকে আমি আগে মিডল ইস্টের কোন দেশের ফাইভ স্টার হোটেলে আবেদন করতে বলব। সেখানে ৪/৫ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রির কোন দেশে জব ভিসা বা মাইগ্রেশন প্রোগ্রামে যাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। 
যদি প্রথমেই ইউরোপ বা কানাডার মত কোন দেশের হোটেলে আবেদন করতে চান, সেক্ষেত্রে, আপনার গ্র্যাজুয়েশন, কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা কোন ফাইভ স্টার হোটেলে, আই এল টি এস এবং অন্যান্য লিগ্যাগ ডকুমেন্টস লাগবে।

অন্যান্য লিংকঃ http://www.bmet.gov.bd/

কেমন খরচ পড়বে?

আগেই বলেছি, এয়ার টিকিটস ছাড়া এক্ষেত্রে বড় কোন খরচ নাই। নিজ খরচে মেডিকেল করতে হবে, অন্যান্য লিগ্যাল ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানি এয়ার টিকিটস ও দিয়ে থাকে।কাজেই টোটাল খরচ এক লক্ষ টাকার নিচে থাকবে, এয়ার টিকিটস সহ।

সাবধানতা

অফলাইনের মত অনলাইনের প্রতারণার ফাঁদ পাতা থাকে। আমি একবার কোন একটা অচেনা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একটা ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম লন্ডনের একটা হোটেলের জন্য।

শেফ দুইবার একটা কিচেন থেকে আমার ইন্টারভিউ নেয়ার পরে আমাকে জানানো হল, আমার জব হয়েছে, তবে তাদেরকে ভিসা প্রসেসিং ফিস বাবদ আগে কয়শ পাউন্ড পাঠাতে হবে, বুঝে গেলাম এরা প্রতারক।  


মনে রাখতে হবে, প্রসেসিং ফিস বা কোন ফি বাবদই আপনাকে, কারোকেই কোন টাকা দিতে বা পাঠাতে হবে না। জব অফার পাওয়ার পরে, আপনি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে ওই দেশের দূতাবাসে জমা দিবেন।
না বুঝতে পারলে, যে হোটেলের থেকে জব অফার পেয়েছেন, তাদের মেইল দিবেন বা ফোন করবেন, তারা সাহায্য করবে।

বেসিক স্যালারি ছাড়াও অন্যান্য সুবিধাদি যেমনঃ বাসস্থান, খাবার, বছরে একবার এক মাসের ছুটি ইত্যাদি সুবিধাদি উল্লেখ থাকে অফারে।

পার্মানেন্ট হওয়ার পরে সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়।  

এ ব্যাপারে আমার শেষ কথা

সারা পৃথিবীতে এখন অটোমেশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া আরো ব্যাপক আকারে শুরু হবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে। 


আশার কথা এই যে, আসছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে যেসব পেশা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাদের মাঝে শেফ/কুক রয়েছে। যারা প্রডাকশনে আছেন, তাদের জন্য দেশের বাইরে জব পাওয়াটা হোটেল ম্যানেজমেন্টের অন্য ডিসিপ্লিনের তুলনায় সহজ।


এক্ষেত্রে আপনার যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ আর যোগাযোগের দক্ষতা থাকে, আপনি যদি সত্যি স্কিলড পারসন হোন, আপনি এই প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে প্রায় বিনা খরচে জব ভিসায় চলে যেতে পারবেন।
বাংলাদেশে বসে মানুষ গুগলে জব করতে চলে যায়, সেখানে হোটেল ম্যানেজমেন্টে বিশ্বের অন্য প্রান্তে একটা জব পাওয়াটা কোন কঠিন ব্যাপার না। কারণ চাহিদা অনেক এই পেশাজীবিদের, যদি আপনি দক্ষ হন এবং কমিউনিকেশন করতে জানেন।  


আমার মতে, বাংলাদেশের একটা ফাইভ স্টার হোটেলে পার্মানেন্ট এমপ্লয়ি হিসাবে জব পাওয়ার থেকে মিডল ইস্টের কোন দেশের ফাইভ স্টার হোটেলে জব পাওয়াটা বেশি সহজ, বিশেষ করে আপনার যদি আমার মত কোন মামা, চাচা না থাকে।  


NHTTI থেকে এই প্রক্রিয়ায় অনেক ছেলে মেয়েই দেশের বাইরের বিভিন্ন হোটেলে এবং শিপে জব নিয়ে চলে গেছে, তবে কেউ কথা বলতে চান না এই প্রক্রিয়ার ব্যাপারে। 


আমার ইচ্ছা ছিল, ডিজিটাল প্লাটফর্মে এই তথ্যগুলি জানান দেয়া, যেন বর্তমানে যারা এই সেক্টরে কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে যারা কাজ করতে চান, তাদের যেন কিছুটা হলেও কাজে লাগে।

আমার থেকে কোন সাপোর্ট পাওয়াটা সম্ভব না অন্তত এই প্রসেসের ব্যাপারে। আমি একটা রাস্তা দেখালাম, যে রাস্তায় আপনার আগেও অনেকে হেঁটে সফল হয়েছেন। 

রাস্তায় নামলে নানান বাধা-বিপত্তি আসতে পারে, অনেক কিছু না বুঝতে পারেন প্রথম দিকে, সেগুলি আপনার চেষ্টা, বুদ্ধিমত্তা আর পরিশ্রম দিয়েই সমাধান করে সামনে আগাতে হবে আপনাকেই।

No Babysitting   

ক্যারিয়ার সহ অন্যান্য বিষয়ে লেখা পেতে আমার এই ব্লগটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আপডেট থাকতে পারেন, যেন নতুন কোন লেখা প্রকাশিত হলে নোটিফিকেশন পেয়ে যান।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন নতুন ভিডিওর জন্য।
আপনার কোন প্রশ্ন বা মতামত জানানোর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিচের মাধ্যম গুলির দ্বারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, ফোন বা ব্যক্তিগত ফেইসবুক প্রফাইলে আমি ইন-অ্যাকটিভ।

  • আমার ব্লগপোস্ট বা ভিডিওতে কমেন্টের মাধ্যমে।
  • ব্লগের কন্টাক্ট ফর্মের মাধ্যমে।
  • আমার ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে।
  • ইমেইলের মাধ্যমেঃ sayedsudipmail@gmail.com

2 thoughts on “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট পেশায় দালালের সাহায্য ছাড়া যেভাবে চাকুরি নিয়ে বিদেশে যেতে পারেন”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *